ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভোলায় জনসচেতনতামূলক র‍্যালি ও আলোচনা সভা উপস্থাপক নিশাত শাহরিয়ারকে কালো তালিকাভুক্ত করা আওয়ামী ফ্যাসিবাদীরা এখনো বহাল বাংলাদেশ বেতারে মিরপুর মাজার রোডে হোটেল ঈগলে স্পার নামে চলছে দেহ ব্যবসা ও ব্ল্যাক মেইলিং রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার বেসরকারি হাসপাতাল সমূহ সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের পিতার মৃত্যুতে এবি পার্টির গভীর শোক নারীকে অপহরণের চেষ্টায় অভিযুক্তদের ৩ জন গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে কৃষকের ওপরে সশস্ত্র হামলা ভোলায় জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত ভোলা ভেদুরিয়া সিরাজ মাঝির অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসীর মানববন্ধন বড়লেখায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রয়লার মুরগির দাম বৃদ্ধি, কেজিতে ৫০ টাকা

#

নিশাত শাহরিয়ার

০৭ মার্চ, ২০২৬,  1:18 AM

news image

মাঝে কিছুটা কমে আবারো বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

গত সপ্তাহে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগির কেজি ২৩০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ সাত দিনের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টাকা। মুরগির বাজারের এই অস্থিরতা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের ওপর নতুন করে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। তবে মাছ, সবজি ও গরুর মাংসের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজারসহ কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে ও ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। রমজান শুরু হওয়ার আগের দিন ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। তবে সপ্তাহখানেক পরই দাম কমে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায় নেমে আসে। দু’দিন ধরে ফের বাড়ছে দাম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা দরে।

বাজারে ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লারের পাশাপাশি অন্যান্য জাতের মুরগির দামও চড়া। কক মুরগি কেজিপ্রতি প্রায় ৩৫০ টাকা, লেয়ার ৩৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে কেজি প্রতি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২১০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহ কমে যাওয়া এবং চাহিদা বেড়ে যাওয়াই এই দাম বৃদ্ধির মূল কারণ। বিশেষ করে আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে মুরগির চাহিদা বাড়ায় বাজারে এর বড় প্রভাব পড়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণেও আমদানি করা নিত্যপণ্যের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, খামারি আগেই মুরগি বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলে বর্তমানে সরবরাহ কম থাকায় পাইকারি বাজারে দামের ওপর এর প্রভাব পড়েছে। এখন ক্রেতাদের চাহিদা অনেক বেশি, ফলে সরবরাহ করা মুরগি দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।