ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
বিএনপির চাপে সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন ঘাটাইলে কর্মচারীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ গরু চুরি লুমিনাস গ্রুপ সেলিব্রেশনে উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাগাতিপাড়ায় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে ব্যারিস্টার পুতুল বটিয়াঘাটায় ‘গণভোট ২০২৬’ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জিপিএফ-সিপিএফের সুদের হার অপরিবর্তিত পোশায় জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত কচুয়ায় আইনের লোক পরিচয়ে দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম ইসি: মির্জা ফখরুল কাঁকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার গভর্নিং বডির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

মানবতার ফেরিওয়ালা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শেখ ফরিদ হোসেন

#

নিশাত শাহরিয়ার

০৩ নভেম্বর, ২০২৫,  4:30 AM

news image

অসুস্থ শরীরে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা এক অটোরিকশা চালকের পাশে দাঁড়ালেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ ফরিদ হোসেন। ‌চলার পথে হঠাৎ লক্ষ্য করেন একজন অসুস্থ মানুষ রাস্তার পাশে পড়ে আছে। এই দৃশ্য যেন মানবিক মনের মানুষ শেখ ফরিদ হোসেনকে মানবতার চাদরে বেঁধে ফেলে। সাথে সাথে গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়েন তিনি। অসুস্থ মানুষটির সেই নিথর দেহটিকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যান রাজধানীর উত্তরার একটি নামকরা হাসপাতালে। 

অসুস্থ মানুষটিকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের এই নেতা। নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন তিনি। অনেক রাজনীতিবিদদের কাছে বিষয়টা অপ্রয়োজনীয় মনে হলেও শেখ ফরিদ হোসেনের কাছে মানবতাই যেন সবার আগে। আর তাইতো মানবতার সেবায় অসহায় মানুষের পাশে থাকার অবিরাম চেষ্টা করে চলেছেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের এই তরুণ তুর্কি। ‌

রাস্তার পাশে পড়ে থাকা সেই মানুষটির পরিচয় সম্পর্কে জানা যায়, জামালপুর জেলার সন্তান বিপ্লব। ছোট বেলায় বাবা, মাকে হারিয়েছেন তিনি। জীবিকার প্রয়োজনে ঢাকায় এসে অটোরিক্সা চালানোকে পেশা হিসেবে বেছে নেন বিপ্লব। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ভালোই কাটছিল তাদের। তবে ভাগ্যের নির্মম বাস্তবতায় সেই ভালো থাকাটা বেশিদিন আর স্থায়ী হয়নি।

একটি ছিনতাইকারী চক্র অজ্ঞান করে তার ভাড়ায় চালিত অটো রিক্সাটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। আর অটোরিক্সা চালক বিপ্লবকে অজ্ঞান করে উত্তরার কামারপাড়া রোডে ফেলে দিয়ে চলে যায়। এমন ব্যস্ত রাস্তায় ৪০ ঘন্টা অজ্ঞান অবস্থায় পড়েছিলেন তিনি। একটা মানুষও এগিয়ে আসেনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকা বিপ্লবের পাশে। এদিকে পরিবার তার খোঁজে একেবারে দিশেহারা। বাস্তবতা কতটা কঠিন হতে পারে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

বিপ্লব এখন কিছুটা সুস্থ হয়েছেন। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে হয়তো আরও ৩/৪ দিন হাসপাতালে থাকতে হতে পারে। অসুস্থ এই মানুষটিকে হাসপাতালে ভর্তি করে করে দিয়ে দায় এড়িয়ে যাননি শেখ ফরিদ হোসেন। অসুস্থ অটোচালকের চিকিৎসার সকল খরচ বহনের পাশাপাশি বিপ্লব সুস্থ হয়ে উঠলে জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি অটো রিক্সা কিনে দেয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন শেখ ফরিদ।

সাদা মনের মানুষগুলোর মনের সাদা আলোয় ধীরে ধীরে আলোকিত হয়ে উঠবে আগামীর বাংলাদেশ- এমনটাই মনে করেন বিজ্ঞজনেরা। একটি সুখী সমৃদ্ধ আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ ফরিদ হোসেনের মত মানবিক মনের মানুষগুলির বড্ড প্রয়োজন বোধ করছে সাধারণ মানুষেরা।