ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
হরিপুরে বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু নেতৃত্বের গল্প শোনাতে তানজানিয়া যাচ্ছেন শ্যামনগরের অপর্ণা মল্লিক কালীগঞ্জে সৌদী বাদশাহ’র খেজুর পেল ৩০ মাদ্রাসা ও এতিমখানা ভোলা জেলা পুলিশের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পোরশা থানায় ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত লাকসাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ ঘোষিত হাইড্রোজ খাদ্যে ব্যবহারে জরিমানা ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব প্রসঙ্গে গণতন্ত্রী পার্টির বিবৃতি এক ফসলা বৃষ্টিতে প্রান ফিরেছে চা বাগানে আশুলিয়ায় সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

দোয়া চাইলেন অভিনেতা ফকিরার পরিবার

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  2:19 PM

news image

মানুষের জীবনে বাক বদলের দৃশ্য নতুন নয়— সময়ের সাথে সাথে মানুষের চিন্তা-চেতনা পরিবর্তন হচ্ছে সহসায়। এক পেশা থেকে অন্য পেশায় যাওয়া মানুষের জন্য সহজ হলেও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী থেকে অভিনয়শিল্পী হওয়া একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আর এ কঠিন কাজ সহজ করে সুনাম অর্জন করেছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা ফকিরা। অভিনয় জীবনে তিনি দুই বাংলার চলচ্চিত্রেই সমানতালে অভিনয় করেছেন। তার পুরো নাম ইসমাইল হোসেন ফকিরা হলেও সিনেমায় ফকিরা নামে পরিচিত। বাংলা চলচ্চিত্রের খল-অভিনেতা ফকিরা।

ভিলেনদের সহকারী হিসেবে তিনি নব্বই দশক ও তার পরবর্তী সময়ে ব্যস্ত সময় পার করেন। তবে সিনেমায় তার অভিষেক আশির দশকে। ফকিরা ফাইটার হিসেবেও চলচ্চিত্রে দারুণ সুনাম অর্জন করেন। এ কারণে প্রয়াত সালমান শাহ তাকে ওস্তাদ বলেই ডাকতেন। ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ও ‘রাজাবাবু’সহ প্রায় সাতশো সিনেমায় অভিনয় করেন ফকিরা।

এ গুণী অভিনেতা গেল কয়েক মাস অসুস্থ হয়ে এখন ঘরবন্দি। এরমধ্যে তিনবার স্ট্রোক করেছেন। তার এক কন্যা ও তিন ছেলে। ছোট ছেলেটি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যান ওপারে। মেয়েটিকে বিয়ে দিয়ে এখন তার মা, স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়েই তার সংসার। স্ট্রোকের কারণে প্রায় বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। সব মিলিয়ে তিনি দুঃসহ জীবন-যাপন করছেন। এই সময়ে তার পাশে দাঁড়ানো সহকর্মীদের দায়িত্ব। অনেকেই খোঁজখবর নিচ্ছেন তার। সম্প্রতি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য ও অভিনেতা সনি রহমান তার বাসায় যান। তার খোঁজখবর নিয়ে তিনি বলেন— ‘ফকিরা ভাই কয়েকমাস আগেও প্রায় প্রতিদিনই বিএফডিসিতে আসতেন। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস পর পর তিনবার স্ট্রোক করে এখন বাকরুদ্ধ হয়ে ঘরের চার দেয়ালের ভেতরে আটকে আছেন।

তিনি আরও বলেন, অনেকদিন ধরেই তাকে ফোনে পাচ্ছিলাম না। তাই বাসায় তাকে দেখতে যাই। অনেকেই জানেন না তিনি অসুস্থ হয়ে ঘরে পড়ে আছেন। স্ট্রোকের কারণে তাকে গত এক বছরে বেশ কয়েকবার হাসপাতালে থাকতে হয়েছে। ৬৫ বছর বয়সে তিনি বাকরুদ্ধকর অবস্থায় ঢাকা মোহাম্মদপুর নিজ বাসাতেই সময় পার করছেন। এ দুঃসময়ে তার জন্য পরিবার সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।