সংবাদ শিরোনাম
নিশাত শাহরিয়ার
০৬ মার্চ, ২০২৬, 6:23 PM
যানবাহনে জ্বালানি তেল নেওয়ার পরিমান নির্ধারণ
মধ্যপ্রাচ্য চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে। এতে দেশেও জ্বালানি তেলের সংকট তৈরির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ফিলিং স্টেশনে ভিড় করছে এবং প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনছেন। এজন্য ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় গ্রাহককে অবশ্যই রসিদ সংগ্রহ করতে হবে। রসিদে তেলের ধরন, পরিমাণ ও দামের উল্লেখ থাকতে হবে। পরবর্তী সময়ে তেল কিনতে হলে আগের কেনা তেলের রসিদ দেখাতে হবে। ডিলাররা এই রসিদ যাচাই করে তেল সরবরাহ করবেন। কোনোভাবেই বরাদ্দের অতিরিক্ত তেল ডিলাররা সরবরাহ করতে পারবেন না বলে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
সম্পর্কিত