ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
বিএনপির চাপে সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন ঘাটাইলে কর্মচারীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ গরু চুরি লুমিনাস গ্রুপ সেলিব্রেশনে উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাগাতিপাড়ায় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে ব্যারিস্টার পুতুল বটিয়াঘাটায় ‘গণভোট ২০২৬’ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জিপিএফ-সিপিএফের সুদের হার অপরিবর্তিত পোশায় জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত কচুয়ায় আইনের লোক পরিচয়ে দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম ইসি: মির্জা ফখরুল কাঁকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার গভর্নিং বডির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

সমাজের আলোকবর্তিকা শাহিন আহমেদ

#

নাজমুল আদনান (টাঙ্গাইল)

০৩ অক্টোবর, ২০২৫,  12:04 AM

news image

ঘাটাইলের সন্ধানপুরের কুশারিয়া গ্রামের সন্তান শাহীন আহমেদ (লিটন) সমাজের ভালো কাজগুলোতে যিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। নিঃস্বার্থ সেবা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি। যখনই কোনো সামাজিক উদ্যোগ বা জনকল্যাণমূলক কাজের প্রয়োজন হয় শাহিন আহমেদকে সেখানেই সবার প্রথমে দেখা যায়। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতা সমাজের অনেক মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।

​শাহিন আহমেদের সামাজিক ভূমিকা কেবল উপস্থিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাঁর পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং কার্যকর উদ্যোগ তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। তিনি বিশ্বাস করেন যে সমাজসেবা কেবল ব্যক্তিগত দায়িত্ব নয় এটি একটি সামাজিক কর্তব্য।

​বিপদে পাশে দাঁড়ানো: বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মহামারীর মতো কঠিন সময়ে তিনি দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেন। খাদ্য, বস্ত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণে তিনি সবসময় সামনের সারিতে থাকেন।

​দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলো দিতে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। শিক্ষা উপকরণ বিতরণ থেকে শুরু করে তাদের পড়াশোনার খরচ বহনেও তাঁর ভূমিকা রয়েছে।

​স্থানীয় পর্যায়ে যেকোনো ভালো কাজে তিনি নেতৃত্ব দেন। পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, রক্তদান শিবির — এমন বহু সামাজিক অনুষ্ঠানে তাঁর উৎসাহী অংশগ্রহণ থাকে।

স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করেন।

শাহিন আহমেদ তাঁর কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে ছোট ছোট উদ্যোগও সমাজে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তাঁর কাছে, সামাজসেবা কোনো দায়ভার নয়, বরং এক প্রকার আনন্দ ও তৃপ্তি। তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টা এলাকার অন্যান্য যুবক ও সাধারণ মানুষকেও সামাজিক কাজে উৎসাহিত করে।

​স্থানীয় জনসাধারণ মনে করেন শাহিন আহমেদের মতো নিবেদিতপ্রাণ মানুষই সমাজের মূল চালিকাশক্তি। তাঁর মতো মানুষেরাই একটি উন্নত ও মানবিক সমাজ গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেন। সমাজের প্রতি তাঁর এই অপরিমেয় অবদান তাঁকে একজন সত্যিকার সমাজসেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আমরা আশা করি, শাহিন আহমেদের এই নিঃস্বার্থ পথচলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং তাঁর কাজ আরও অনেক মানুষকে জনকল্যাণমূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে।