ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
হরিপুরে বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু নেতৃত্বের গল্প শোনাতে তানজানিয়া যাচ্ছেন শ্যামনগরের অপর্ণা মল্লিক কালীগঞ্জে সৌদী বাদশাহ’র খেজুর পেল ৩০ মাদ্রাসা ও এতিমখানা ভোলা জেলা পুলিশের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পোরশা থানায় ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত লাকসাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ ঘোষিত হাইড্রোজ খাদ্যে ব্যবহারে জরিমানা ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব প্রসঙ্গে গণতন্ত্রী পার্টির বিবৃতি এক ফসলা বৃষ্টিতে প্রান ফিরেছে চা বাগানে আশুলিয়ায় সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

প্রতারণার জালে ধূলিসাৎ ইউরোপের স্বপ্ন

#

নাজমুল আদনান (টাঙ্গাইল)

০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫,  2:59 AM

news image

ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও খামারের গরু আত্মসাৎ করার অভিযোগে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের সড়াবাড়ি গ্রামের কথিত এজেন্সি মালিক রাসেল সিদ্দিক (পিতা: মৃত সোয়েব সিদ্দিক)-এর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন শত শত ভুক্তভোগী।

গত মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে রাসেল সিদ্দিকের বাড়িতে প্রায় একশ'রও বেশি প্রবাস ফেরত ও বিদেশ গমনেচ্ছু মানুষজন ভিড় করে বিক্ষোভ করেন।

​জানা যায়, প্রতারণার মূল হোতা রাসেল  সিদ্দিক এর পিতা সোয়েব সিদ্দিক গত ২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার আনুমানিক বিকাল ৪টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন। এরপর তড়িঘড়ি করে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে দাফন করার প্রস্তুতি নেওয়া হলে সকল পাওনাদার খবর পেয়ে দাফনকাজে বাধা দেন। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তাঁকে দাফন করা হয়। এরপর গভীর রাতে প্রায় একশ'রও বেশি ভুক্তভোগী রাসেল সিদ্দিকের বাড়ি ঘেরাও করে। কোনো উপায় না পেয়ে রাসেল সিদ্দিক বাড়ির ভেতরে আশ্রয় নেন। গ্রামবাসীর মধ্যস্থতা ও সহযোগিতায় পরিবেশ স্বাভাবিক হলে সকল ভুক্তভোগীর কাছে প্রতারক রাসেল সিদ্দিক তিন মাসের সময় চেয়ে নেন। এরপর সাময়িকভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভুক্তভোগী হাফিজুর জানান, তিন বছর আগে ইউরোপে পাঠানোর কথা বলে রাসেল সিদ্দিক তাঁর কাছ থেকে ৬ লক্ষ টাকা নেন। কিন্তু দীর্ঘ তিন বছরেও তাঁকে বিদেশে পাঠানো হয়নি, এমনকি টাকাও ফেরত দেননি। সব হারিয়ে হাফিজুর এখন নিঃস্ব।

​আরেক ভুক্তভোগীর বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশালে। তিনি জানান, চার বছর আগে তাঁর কাছ থেকে নগদ ৭ লক্ষ টাকা ও ঈদের কোরবানির জন্য একটি গরু নিয়েছিলেন দালাল রাসেল সিদ্দিক। কিন্তু চার বছর পেরিয়ে গেলেও তিনি যেমন বিদেশ যেতে পারেননি, তেমনি ফেরত পাননি একটি টাকাও। এইরকম প্রায় একশ'রও বেশি যুবক প্রতারণার শিকার হয়ে তাদের মূল্যবান সময় ও অর্থ হারিয়েছেন। এই ভুক্তভোগীরা এখন এর প্রতিকার চান।

​​কথিত এজেন্সি মালিক রাসেল সিদ্দিকের প্ররোচনায় পড়ে হাজারো যুবকের ইউরোপের স্বপ্ন ভেঙে গেছে, সেইসাথে তাঁদের মূল্যবান সময় ও জীবন আজ হুমকির মুখে। ভুক্তভোগীদের দাবি, এই প্রতারণার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।