ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
বিএনপির চাপে সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন ঘাটাইলে কর্মচারীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ গরু চুরি লুমিনাস গ্রুপ সেলিব্রেশনে উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাগাতিপাড়ায় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে ব্যারিস্টার পুতুল বটিয়াঘাটায় ‘গণভোট ২০২৬’ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জিপিএফ-সিপিএফের সুদের হার অপরিবর্তিত পোশায় জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত কচুয়ায় আইনের লোক পরিচয়ে দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম ইসি: মির্জা ফখরুল কাঁকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার গভর্নিং বডির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

প্রতারণার জালে ধূলিসাৎ ইউরোপের স্বপ্ন

#

নাজমুল আদনান (টাঙ্গাইল)

০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫,  2:59 AM

news image

ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও খামারের গরু আত্মসাৎ করার অভিযোগে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের সড়াবাড়ি গ্রামের কথিত এজেন্সি মালিক রাসেল সিদ্দিক (পিতা: মৃত সোয়েব সিদ্দিক)-এর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন শত শত ভুক্তভোগী।

গত মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে রাসেল সিদ্দিকের বাড়িতে প্রায় একশ'রও বেশি প্রবাস ফেরত ও বিদেশ গমনেচ্ছু মানুষজন ভিড় করে বিক্ষোভ করেন।

​জানা যায়, প্রতারণার মূল হোতা রাসেল  সিদ্দিক এর পিতা সোয়েব সিদ্দিক গত ২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার আনুমানিক বিকাল ৪টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন। এরপর তড়িঘড়ি করে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে দাফন করার প্রস্তুতি নেওয়া হলে সকল পাওনাদার খবর পেয়ে দাফনকাজে বাধা দেন। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তাঁকে দাফন করা হয়। এরপর গভীর রাতে প্রায় একশ'রও বেশি ভুক্তভোগী রাসেল সিদ্দিকের বাড়ি ঘেরাও করে। কোনো উপায় না পেয়ে রাসেল সিদ্দিক বাড়ির ভেতরে আশ্রয় নেন। গ্রামবাসীর মধ্যস্থতা ও সহযোগিতায় পরিবেশ স্বাভাবিক হলে সকল ভুক্তভোগীর কাছে প্রতারক রাসেল সিদ্দিক তিন মাসের সময় চেয়ে নেন। এরপর সাময়িকভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভুক্তভোগী হাফিজুর জানান, তিন বছর আগে ইউরোপে পাঠানোর কথা বলে রাসেল সিদ্দিক তাঁর কাছ থেকে ৬ লক্ষ টাকা নেন। কিন্তু দীর্ঘ তিন বছরেও তাঁকে বিদেশে পাঠানো হয়নি, এমনকি টাকাও ফেরত দেননি। সব হারিয়ে হাফিজুর এখন নিঃস্ব।

​আরেক ভুক্তভোগীর বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশালে। তিনি জানান, চার বছর আগে তাঁর কাছ থেকে নগদ ৭ লক্ষ টাকা ও ঈদের কোরবানির জন্য একটি গরু নিয়েছিলেন দালাল রাসেল সিদ্দিক। কিন্তু চার বছর পেরিয়ে গেলেও তিনি যেমন বিদেশ যেতে পারেননি, তেমনি ফেরত পাননি একটি টাকাও। এইরকম প্রায় একশ'রও বেশি যুবক প্রতারণার শিকার হয়ে তাদের মূল্যবান সময় ও অর্থ হারিয়েছেন। এই ভুক্তভোগীরা এখন এর প্রতিকার চান।

​​কথিত এজেন্সি মালিক রাসেল সিদ্দিকের প্ররোচনায় পড়ে হাজারো যুবকের ইউরোপের স্বপ্ন ভেঙে গেছে, সেইসাথে তাঁদের মূল্যবান সময় ও জীবন আজ হুমকির মুখে। ভুক্তভোগীদের দাবি, এই প্রতারণার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।