ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
বিএনপির চাপে সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন ঘাটাইলে কর্মচারীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ গরু চুরি লুমিনাস গ্রুপ সেলিব্রেশনে উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাগাতিপাড়ায় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে ব্যারিস্টার পুতুল বটিয়াঘাটায় ‘গণভোট ২০২৬’ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জিপিএফ-সিপিএফের সুদের হার অপরিবর্তিত পোশায় জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত কচুয়ায় আইনের লোক পরিচয়ে দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম ইসি: মির্জা ফখরুল কাঁকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার গভর্নিং বডির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ

#

ইরফান হোসেন (পটিয়া প্রতিনিধি)

২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫,  2:20 AM

news image

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া ঘিরে চরম অনিয়ম ও বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ৩০০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও লটারিতে মাত্র ২২০ জনকে সুযোগ দিয়ে বাকি আসনগুলো মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পূরণ করার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ ডিসেম্বর ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তির জন্য লটারি অনুষ্ঠিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী আসন সংখ্যার সমান শিক্ষার্থীকে লটারিতে সুযোগ দেওয়ার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ প্রথম দফায় মাত্র ২২০ জনের তালিকা প্রকাশ করে। ১৫ থেকে ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে এই শিক্ষার্থীরা ভর্তি সম্পন্ন করেন। 

তবে গত বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) হঠাৎ করে ৮৮ জনের একটি ‘অপেক্ষমাণ তালিকা’ প্রকাশ করলে বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

অভিযোগ উঠেছে, এই ৮৮ জন শিক্ষার্থীকে কোনো মেধা বা লটারির ভিত্তিতে নয়, বরং রাজনৈতিক তদবির ও বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, আসনপ্রতি ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক অভিযোগ করেন, লটারিতে নাম না আসা সত্ত্বেও পরিচিত অনেকে অর্থের বিনিময়ে সন্তানকে ভর্তি করাতে পেরেছেন।

এদিকে, আসন খালি রেখে অপেক্ষমাণ তালিকার নামে এমন কর্মকাণ্ডকে অসৎ উদ্দেশ্য হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার বড়ুয়ার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে পটিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাবুল কান্তি নাথ জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "প্রমাণসহ অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিল করা হবে।"