ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
হরিপুরে বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু নেতৃত্বের গল্প শোনাতে তানজানিয়া যাচ্ছেন শ্যামনগরের অপর্ণা মল্লিক কালীগঞ্জে সৌদী বাদশাহ’র খেজুর পেল ৩০ মাদ্রাসা ও এতিমখানা ভোলা জেলা পুলিশের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পোরশা থানায় ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত লাকসাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ ঘোষিত হাইড্রোজ খাদ্যে ব্যবহারে জরিমানা ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব প্রসঙ্গে গণতন্ত্রী পার্টির বিবৃতি এক ফসলা বৃষ্টিতে প্রান ফিরেছে চা বাগানে আশুলিয়ায় সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

দূর্নীতির বরপুত্র দুর্গাপুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক

#

এ কে এম শামসুজ্জোহা চৌধুরী (কুড়িগ্রাম)

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬,  2:54 AM

news image

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি সরকারকে তার পদসহ সকল দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সভাপতি মাহমুদুল হাসান।

জানা গেছে, সরকারি বিধি অনুযায়ী নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ফি সর্বোচ্চ ৩০২ টাকা নির্ধারিত থাকলেও দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৬০০ টাকা আদায় করা হয়। একইভাবে ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার পরিবর্তে এক হাজার থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা ভর্তি ফি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদে শাহাজাহান সরকার নামের এক অভিভাবক ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, আদায়কৃত সেশন ফি ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ, বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে অনিয়ম, চেক ডিজঅনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জামিনে থাকা, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য পরিচালনা এবং প্রায় ৮০টি দোকানঘরের ভাড়া থেকে প্রাপ্ত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব না রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এসব কারণে তার প্রায় দুই বছর ধরে বেতন বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি সরকার বলেন, আজ (রবিবার) শুনানি ছিল। ইউএনও স্যার আমাকে সরে থাকতে বলেছেন। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো স্থগিতাদেশের চিঠি পাইনি।

উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন। তার নামে মামলা থাকায় দীর্ঘদিন ধরে বেতন বন্ধ রয়েছে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে প্রধান শিক্ষকের পদসহ সকল দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। খুব দ্রুত বিদ্যালয়ে একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।