ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
বিএনপির চাপে সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন ঘাটাইলে কর্মচারীর হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ গরু চুরি লুমিনাস গ্রুপ সেলিব্রেশনে উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাগাতিপাড়ায় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে ব্যারিস্টার পুতুল বটিয়াঘাটায় ‘গণভোট ২০২৬’ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জিপিএফ-সিপিএফের সুদের হার অপরিবর্তিত পোশায় জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত কচুয়ায় আইনের লোক পরিচয়ে দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম ইসি: মির্জা ফখরুল কাঁকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার গভর্নিং বডির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

#

তিমির বনিক (মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি)

১২ জানুয়ারি, ২০২৬,  12:57 AM

news image

জমি সংক্রান্ত ক্রয়-বিক্রয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে বৈষম্যবিরোধী নেতা।

শনিবার (১০ই জানুয়ারি) শনিবার রাতে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে আবুল চৌধুরীকে আওয়ামী লীগ নেতা উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বৈষম্বিরোধী নেতা পাবেল আহমদ রাফি নামে এক ভুক্তভোগী।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বাউরভাগ এলাকার রাজু আহমেদ সাজন মিয়ার ছেলে পাবেল আহমদ রাফি। তার লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে বলেন, গত ৬ই জানুয়ারী আবুল চৌধুরী মনুমুখ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট কথাবার্তা ও বিশদগার করেন।

পাবেল জানান, তিনি সিলেট লিডিং ইউনিভার্সিটি, বিএসসি ইন ইলেটিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশুনা করেন। প্রয়োজন ব্যতিত মৌলভীবাজার আসেননা। গত বছর তার দুইটি সিএনজি গাড়ি চুরি হয়। একটি গরু চুরি হয় ও দুটি দোকান চুরি হয়। এই সমস্ত ঘটনাক্রমে পুলিশ প্রশাসনের সাথে সব সময় যোগাযোগ রাখতে হয় গাড়ি গুলোর সন্ধান বের করার জন্য।

আবুলদের সাথে পারিবারিক কোন্দলের কারণে অলৌকিক ভাবে এই ঘটনাগুলো ঘটে। এ যাবৎকালে আমি কোনো মামলার বাদী কিংবা স্বাক্ষী নই। তিনি বৈষম্যবিরোধী কোন মামলার সাথেও কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। কে বা কাহারা আসামী তাও জানেননা। কাউকে গ্রেপ্তার বা হুমকি দেওয়া কোন প্রমান ছাড়া অযথা তার মানহানির জন্য মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার বরাবরে ২৪/১২/২০২৫ইং তারিখে একটি দরখাস্ত করেন আবুল। ওই আবেদন তদন্তাধীন আছে।

মূল ঘটনা আবুল চৌধুরীর সহিত আমার পরিবারের জমিজমা ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত টাকা আত্মসাতের জের ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে। আবুল আওয়ামী লীগের নেতা। তাই প্রশাসন যাতে তাকে না ধরে এর জন্য তিনি মিথ্যা অপচেষ্ঠা চালাচ্ছেন।

পাবেল আরও বলেন, পরিবাররের ৭১ লাখ টাকা আবুল ও তার সহযোগীরা আত্মসাৎ করেন। যাহা এলাকার সবাই জানে বিচার শালিসের কোনো সুযোগ দেয় নাই। আমার পরিবার যাথে এই টাকা উদ্ধারের কোন আইনানুগ ব্যবস্থা না নিতে পারে এ জন্য তার এই অপচেষ্টা। এ বিষয়ে ব্যাংকের কাগজাত এবং বায়নাপত্র প্রমান রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, তিনি বায়নাকৃত জমির বিক্রেতার সাথে মিলে তার ভাই লিলু মিয়া জনৈক আহসান উল্লার নিকট হইতে গোপনে ক্রয় করে উভয়ে লন্ডন চলে যান। বর্তমানে লিলু দেশে আসলে বিচার সালিশেরে চেষ্টা করেও এলাকার মুরুব্বিরা বার বার ব্যর্থ হন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগীর চাচা ছানু মিয়া, ফুফা লৎফুর রহমান প্রমুখ।