ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
কালের স্বাক্ষী বৃটিশ আমলে নির্মিত ৬ গম্বুজ জামে মসজিদ ৮ বিভাগে দেশসেরা মৌলভীবাজারের মাহিমা ইসলাম প্রতারণা মামলায় সন্দ্বীপের শিক্ষক দম্পতি জেল হাজতে পরীমণি মোহে চড়া মাশুল দিলেন এডিসি সাকলায়েন পীরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ২২ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ ঘাটাইলের ধলাপাড়ায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন চরভদ্রাসনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩টি ভেকুর ব্যাটারি জব্দ খালেদা রাব্বানীর বাসায় আবেগ আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী সোনালী আঁশের সোনালী দেশ স্লোগানে নবাবগঞ্জে পাটচাষী প্রশিক্ষণ

৮ বিভাগে দেশসেরা মৌলভীবাজারের মাহিমা ইসলাম

#

তিমির বনিক (মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি)

১৯ জুন, ২০২৬,  4:39 PM

news image

দেশসেরার মুকুট এখন মৌলভীবাজারের মাথায়! জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা-২০২৬ সারাদেশের সব প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার খুদে শিশু মাহিমা ইসলাম।

গত (১৬ই জুন) ঢাকার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় দেশের ৮টি বিভাগের সেরা ৮ জন প্রতিযোগীর মধ্যে প্রথম স্থান ছিনিয়ে নেয় সে।

মাহিমা কুলাউড়া উপজেলার করের গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক পঞ্চম শ্রেণির উজ্জ্বল নক্ষত্র। মাহিমার এই দেশসেরা হওয়ার পথটি ছিল এক অদম্য লড়াইয়ের গল্প। নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখে সে প্রথমে ইউনিয়ন, এরপর উপজেলা, জেলা এবং সর্বশেষ বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে তবেই ঢাকার জাতীয় মঞ্চে পা রাখে। সেখানেও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখে সে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিজের করে নেয়।

প্রতিযোগিতা শেষে জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বর্তমান সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাত মাহিমার হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন।

মাহিমার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে এক দারুণ পারিবারিক অনুপ্রেরণা। সে কুলাউড়া উপজেলার প্রতাবী গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. তৈমুল ইসলাম এবং করেরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হালেমা আক্তারের কন্যা।

উল্লেখ্য, মাহিমার মা হালেমা আক্তার নিজেই মৌলভীবাজার জেলার 'শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক-২০২৫' নির্বাচিত হয়েছিলেন। মায়ের পর এবার মেয়ের এই জাতীয় অর্জন প্রমাণ করল— মেধা আসলেই বংশগত!

মাহিমার এই ঐতিহাসিক বিজয়ের খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর থেকেই পরিবার, বিদ্যালয় ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বইছে অভিনন্দনের জোয়ার।

স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা বলছেন, মাহিমার এই অসাধারণ অর্জন কেবল তার বিদ্যালয়ের নয়, পুরো মৌলভীবাজার জেলার জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই সাফল্য কুলাউড়ার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পড়াশোনা সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে উদ্বুদ্ধ করবে অন্যান্য শিশু ও বাচ্চাদেরকে।