ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
পোরশায় মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় হত্যাসহ ২২ মামলার আসামি ইমরান হাওলাদার গ্রেফতার নবাবগঞ্জ উপজেলায় গ্রাম আদালত কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা, গাছ লাগিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন বাচ্চু মিয়ার চাটখিলে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে সাপের কামড়ে স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু কালের স্বাক্ষী বৃটিশ আমলে নির্মিত ৬ গম্বুজ জামে মসজিদ ৮ বিভাগে দেশসেরা মৌলভীবাজারের মাহিমা ইসলাম প্রতারণা মামলায় সন্দ্বীপের শিক্ষক দম্পতি জেল হাজতে পরীমণি মোহে চড়া মাশুল দিলেন এডিসি সাকলায়েন

পটিয়ায় হাসপাতালের আঙিনায় পরিচয়হীন নবজাতক

#

ইরফান হোসেন (পটিয়া প্রতিনিধি)

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  4:29 AM

news image

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আঙিনা থেকে রোববার বিকালে এক পরিচয়হীন নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। কে বা কারা দুই দিন বয়সী এই শিশুটিকে একটি প্যাকেটে করে ফেলে রেখে যায়, পরে কান্নার শব্দ শুনে হাসপাতাল কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

পটিয়া হাসপাতাল সূত্র জানায়, রোববার বেলা পৌনে ৪টার দিকে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এক যুবক ও এক যুবতী একটি প্যাকেটে করে শিশুটিকে হাসপাতালের পাশে রেখে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা প্রশাসন ও পটিয়া থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

উদ্ধার হওয়া শিশুটির স্বাস্থ্যগত অবস্থা সম্পর্কে হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স জয়নাব বিবি জানান, নবজাতকটির ওজন মাত্র ৯০০ গ্রাম। জয়নাব বিবি আরও জানান, শিশুটি নির্ধারিত সময়ের আগেই জন্ম নিয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। এর ফলে তার নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে, তাই এই মুহূর্তে শিশুটির নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন।

পটিয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সাবরিনা রাব্বি শিশুটির চিকিৎসার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। ডা. সাবরিনা রাব্বি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য নবজাতকটিকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুই দিন বয়সী এই শিশুটিকে কারা ফেলে গেছে, তা প্রাথমিকভাবে জানা না গেলেও হাসপাতালের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তার যাবতীয় চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়া হবে বলে ডা. সাবরিনা রাব্বি নিশ্চিত করেন।

শিশুটির ভবিষ্যৎ কী হতে পারে, সে বিষয়েও কথা বলেছেন ডা. সাবরিনা রাব্বি। তিনি জানান, ইতোমধ্যে এক নিঃসন্তান দম্পতি শিশুটির ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।

শেষ পর্যন্ত যদি শিশুটির প্রকৃত পরিচয় বা স্বজনদের খোঁজ না পাওয়া যায় তবে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উপযুক্ত কোনো ব্যক্তির কাছে নবজাতকটিকে হস্তান্তর করা হতে পারে।