ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে আটক ৪ মাদক ব্যবসায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, স্কাপ সিরাপসহ ভারতীয় মদ জব্দ বড়লেখায় মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কুলাউড়ায় ইউপি সদস্য লোকমান গ্রেপ্তার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে খালের জায়গা দখলকারী আলমাসের খুঁটির জোর কোথায় ঘাটাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীর এক বছরের কারাদণ্ড পোরশায় মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় হত্যাসহ ২২ মামলার আসামি ইমরান হাওলাদার গ্রেফতার নবাবগঞ্জ উপজেলায় গ্রাম আদালত কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা, গাছ লাগিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন বাচ্চু মিয়ার

লাকসামে ডেন্টাল চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

#

আমজাদ হোসেন (লাকসাম)

১৪ জুন, ২০২৬,  10:14 PM

news image

কুমিল্লার লাকসামের পশ্চিমগাঁও এলাকার ‘মজুমদার ডেন্টাল কেয়ার’র স্বত্বাধিকারী মোঃ শাজাহান মজুমদার ও তার ছেলেকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা একটি সংবাদ সম্মেলনের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনকারীর করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি), আদালতের মামলা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্রের মধ্যে একাধিক চাঞ্চল্যকর ও সাংঘর্ষিক তথ্যের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

শাজাহান মজুমদারের দাবি, পারিবারিক ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে ফারহানা মাহমুদা ঝর্ণা নামের এক নারী প্রশাসন, আদালত ও গণমাধ্যমকে বিভ্রান্ত করে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন।

লিখিত বক্তব্যে শাজাহান মজুমদার জানান, সম্প্রতি ফারহানা মাহমুদা ঝর্ণার মেয়ে লাকসাম ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে তার ছোট বোনকে কোলে নিয়ে স্বাভাবিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার একটি সিসিটিভি ফুটেজ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সংরক্ষিত আছে। অথচ সেই ফুটেজ ব্যবহার করেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়েটি 'নিখোঁজ' হয়েছে বলে অপপ্রচার চালানো হয়।

পরবর্তীতে গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে লাকসাম থানায় দায়ের করা একটি সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) উল্লেখ করা হয়, গত ২০ এপ্রিল মশার কয়েল আনার জন্য বাসার সামনের দোকানে গিয়ে ওই মেয়ে আর ফিরে আসেনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো জানান, গত ১১ মে ২০২৬ তারিখে কুমিল্লার আদালতে উক্ত নারী একটি অভিযোগ দায়ের করেন, যেখানে ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১০ এপ্রিল, ১৫ এপ্রিল এবং ২০ এপ্রিলের চারটি ভিন্ন ভিন্ন ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনা প্রসঙ্গে বাদী দাবি করেন, তার মেয়ে 'আল-আমিন ইনস্টিটিউট'-এ যাওয়ার পথে অপহৃত হয়।

বাদীর এই দাবির বিপরীতে ‘আল-আমিন ইনস্টিটিউট’ কর্তৃপক্ষ একটি আনুষ্ঠানিক প্রত্যয়নপত্র দিয়েছে, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মেয়েটি ২৫ সালের জুনের পর আর  স্কুলে যায়নি। সবচেয়ে বড় অসঙ্গতি প্রকাশ পায় সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনে। যেখানে থানায় মশার কয়েল কিনতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া কিংবা আদালতে অপহরণের কথা বলা হয়েছিল, সেখানে সংবাদ সম্মেলনে এসে ঘুম, অপহরণ, ধর্ষণ এবং অবৈধ গর্ভধারণের মতো মারাত্মক সব অভিযোগ আনা হয়েছে।

একই ঘটনা নিয়ে থানা, আদালত এবং সংবাদ সম্মেলনে বাদীর এমন ভিন্ন ভিন্ন ও সাংঘর্ষিক বক্তব্য পুরো বিষয়টিকে চরম রহস্যজনক করে তুলেছে।

ব্যবসায়ী শাজাহান মজুমদার বলেন, "আমি আইন ও আদালতের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। যেহেতু বিষয়টি নিয়ে থানায় জিডি এবং আদালতে মামলা হয়েছে, তাই আমি আইনি পথেই এটি মোকাবিলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল আমাদের সামাজিক মর্যাদা ও ব্যবসা ধ্বংস করতে এই মিথ্যা নাটক সাজিয়েছে।"

তিনি সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ উল্লেখ করে বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে ঘটনার পেছনের প্রকৃত সত্য উদঘাটনের অনুরোধ জানান।

বিশেষ করে সংবাদ সম্মেলনকারীর ব্যক্তিগত পরিচয়, জীবনযাপন এবং এই অপপ্রচারের পেছনে অন্য কারও ইন্ধন বা কালো হাত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।