ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
উপজেলা শিক্ষক বদলি কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন মোঃ মশিউর রহমান শ্রীপুরে ওসি শাহিনুর আলমের নেতৃত্বে বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার সুনামগঞ্জে ‘আনলকিং ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশনস ফর ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত গোপালপুরে মরহুম খন্দকার আব্দুল মান্নানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা সভা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের মতবিনিময় সভায় ব্যারিস্টার জারহাত আদিব চৌধুরী ভোলায় জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত করিমগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ভোলায় জেলা পুলিশের জুলাই মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত করিমগঞ্জে শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

বন বিভাগের জমিতে পেঁপে ও কলা বাগান, হুমকির মুখে সামাজিক বনায়ন

#

নাজমুল আদনান (টাঙ্গাইল)

০১ মে, ২০২৬,  4:53 AM

news image

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ধলাপাড়া রেঞ্জের সাগরদিঘী বিটের অধীনে বন বিভাগের সরকারি জমিতে নিয়মবহির্ভূতভাবে পেঁপে বাগান এবং কলাবাগান গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, এই বাগানের ফলে বন বিভাগের লাগানো আকাশমণি চারাগাছগুলোর বৃদ্ধি চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচীকে হুমকির মুখে ফেলছে।

​ঘটনার বিবরণ ​সাগরদিঘী বিটের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পাগারিয়া এলাকার ৫০৬ নম্বর দাগে প্রায় ৫ একর আয়তনের একটি প্লট বন বিভাগ থেকে বরাদ্দ পান মিজাম ভুইয়া।

তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, সেই প্লটে বনের চারা গাছের পাশাপাশি বিশাল এলাকাজুড়ে পেঁপে বাগান করেছেন মো. সাঈদ নামে এক ব্যক্তি।

​বাগানের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক বছরের মধ্যে পেঁপে ফলন পাওয়া যাবে—এমন লক্ষ্য নিয়েই এই বাগান করা হয়েছে। তাদের দাবি, পেঁপে গাছের মাঝেই বন বিভাগের চারাগুলো বড় হয়ে যাবে এবং এতে কোনো সমস্যা হবে না।

বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের উদ্বেগ ​তবে কর্মচারীদের এই দাবির সঙ্গে একমত নন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর মতে ​পেঁপে বা কলা গাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও ঘন পাতার কারণে আকাশমণি চারাগুলো পর্যাপ্ত রোদ ও পুষ্টি পায় না।

​এ ধরনের মিশ্র চাষের ফলে বন বিভাগের মূল চারাগুলোর স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়।​এটি মূলত সরকারি বনায়ন নষ্ট করে ব্যক্তিগত মুনাফা লাভের একটি কৌশল।

​বন বিভাগের বক্তব্য ​এই বিষয়ে ধলাপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা সাব্বির হোসেন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, বন বিভাগের জমিতে চারা গাছের পাশাপাশি অন্য কোনো ফসল বা ফলজ বাগান (যেমন কলা বা পেঁপে) করার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। এটি সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত।

​অনুপস্থিত অভিযুক্ত ​ঘটনার মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত মিজাম ভুইয়ার এবং মো সাঈদ সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে বন বিভাগের বরাদ্দকৃত প্লটে অন্য একজনের মাধ্যমে কীভাবে এই বাণিজ্যিক বাগান গড়ে উঠল, তা নিয়ে রহস্য দানা বাঁধছে।​

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত এই অবৈধ বাগান অপসারণ না করলে সরকারি বনায়ন কর্মসূচী ব্যর্থ হবে এবং বিপুল পরিমাণ রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট হবে।

logo

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: ইমাম হোসেন