ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, স্কাপ সিরাপসহ ভারতীয় মদ জব্দ বড়লেখায় মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কুলাউড়ায় ইউপি সদস্য লোকমান গ্রেপ্তার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে খালের জায়গা দখলকারী আলমাসের খুঁটির জোর কোথায় ঘাটাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীর এক বছরের কারাদণ্ড পোরশায় মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় হত্যাসহ ২২ মামলার আসামি ইমরান হাওলাদার গ্রেফতার নবাবগঞ্জ উপজেলায় গ্রাম আদালত কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা, গাছ লাগিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন বাচ্চু মিয়ার চাটখিলে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

করিমগঞ্জে ২ দিন লাইনে দাঁড়িয়েও টিসিবি পণ্য না পাওয়ার অভিযোগ

#

দিলোয়ার হোসাইন ভূঁইয়া (কিশোরগঞ্জ)

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  2:21 AM

news image

মঙ্গলবার বেলা ১১ টার আগে থেকে মরিচখালী বাজার মের্সাস ভাই-বোন স্টোর ডিলার মাহবুবুর রহমানের দোকানের সামনে ভর্তুকি মূল্যের খাদ্যপণ্য কেনার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছেন ৬০ বছর রোমা আক্তার।

ইন্দা চুল্লী গ্রাম থেকে তার সঙ্গে এসেছেন সমবয়সী  মাকসুদা। ৫ ঘন্টা অপেক্ষা করার পর বিকেল চারটার পর জানতে পারেন পণ্য পেতে তাঁদের বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

অন্যদিকে অনেকেই অপেক্ষার পর পণ্য পাননি। পণ্য পেতে তাঁদের আরও  বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ডিলারের পক্ষে থেকে জানানো হয়।

মঙ্গলবার বিকেলে শতাব্দীর কন্ঠের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মাকসুদা বেগম বলেন, মাল নিতে গিয়ে জোহরের নামাজ মিস গেছে।এখন বিকেল হয়ে গেছে।আসরের নামাজ ও মিস হবে।

রমজান মাস উপলক্ষে সোমবার থেকে করিমগঞ্জ উপজেলা ডিলার দোকান গুলো থেকে পণ্য বিক্রি শুরু করেছে জানা যায়।একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক কেজি ছোলা, এক কেজি চিনি, ৫ কেজি চাল কিনতে পারছেন।

এর মধ্যে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১১৫ টাকা।প্রতি কেজি চিনি ৮০ টাকা,মসুর ডাল ৭০ টাকা, ছোলা ৬০ টাকা, চাল ৩০ টাকা।সব পণ্যের প্যাকেজ মূল্য মোট ৬০০ টাকা।প্রতিদিন (ছুটির দিন ছাড়া) নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এসব পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।

ডিলার মাহবুবুর রহমান জানান, রমজানে মানুষের চাহিদা বেশি থাকায় লাইন ঠিক রেখে পণ্য দিতে হিমশিম খেতে হয়।মানুষ বেশি হয়ে যায়।গুণধর ইউনিয়নে দুইজন ডিলার রয়েছেন।

দুইজন ডিলার একসাথে পণ্য দিলে বেশি মানুষকে দেওয়া যেত। নাম না প্রকাশ করে  একজন বলেন, বরাদ্দ বাড়ালে আমাদের জন্য ভালো হতো।